Skip to main content

মোবাইল আসক্তি, সোস‍্যাল মিডিয়ার ফেইক বন্ধু হতে মুক্তি পেতে



মোবাইল আসক্তি, সোস্যাল মিডিয়ার ফেইক বন্ধু হতে মুক্তি পেতে এবং সারাদিনের কার্যাবলী আপনার মোবাইলের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণে রাখতে প্রযুক্তি ও ভালবাসার বন্ধনের মাধ্যমে আপনার সন্তান ও প্রিয়জনের সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে এক অভিনব TECHNOLOGY এর সার্ভিস নিয়ে কাজ করছে SAFE CARE TECHNOLOGY.

উক্ত সেবায় আপনার সন্তান মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তি পাবে। আপনার প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের কারনে এই প্রজন্মের সন্তানের সাথে আপনার সম্পর্ক হবে স্মার্ট ও সম্মান জনক। সম্পর্ক হবে স্থায়ী।
সন্তানের ভবিষ্যৎ হবে আপনার ও সন্তানের স্বপ্নের মত। আপনি যেভাবে চান সন্তানকে পরিচালনা করতে, সন্তান সেভাবেই পরিচালিত হবে। সন্তান উপলব্দি করবে স্বাধীনতা মানে উচ্ছৃংখলতা নয়। শিক্ষা নিবে জীবনের তরে, জীবনে কিভাবে মানুষ হতে হয়। ভার্চুয়াল জগৎ থেকে বের হয়ে বাস্তব জগতে স্বাভাবিক থাকবে। অস্বাভাবিক আচরণের পরিবর্তন ঘঠবে।
জীবনবোধ জাগ্রত হবে। গঠনমুলক হবে চিন্তা চেতনা। প্রতিটা সময় তার জীবনে অতিবাহিত হবে ইতিবাচক কাজে। পড়াশোনা বা কোন কাজ করবে মনযোগ দিয়ে। পড়াশোনা করবে গবেষণার মত। পরীক্ষার ফলাফল হবে ভাল। জীবনের লক্ষ্য হবে, জীবনে প্রথম হওয়ার। সন্তানের মুখটা হাসবে ফুটন্ত ফুলের মত। এই সন্তানই আমাদের ভবিষ্যৎ।।
যাদের জন্য সেবাটি:
1. স্মার্ট ফোন ব্যবহাকারি সকল শিশু-কিশোরদের জন্য।
2. অমনযোগী সকল সন্তানের জন্য।
3. মোবাইলে আসক্ত সকলের জন্য।
4. খাবার খেতে অনিহা কিশোর/কিশোরীদের জন্য।
5. বাবা অথবা মা সন্তান হতে দূরে অবস্থান করা পরিবারের জন্য।
6. প্রবাসী ভাইদের প্রিয়জনের জন্য।
7. অন্যান্য
আপনার ও আপনার সন্তানের জীবন হউক আনন্দময়। এই প্রত্যাশায়........
যোগাযোগ : 01776063613 @safecaretech

Comments

Popular posts from this blog

মোবাইল আসক্ত সন্তানকে নিয়ে আপনার টেনশনের শেষ নেই।

  মোবাইল আসক্ত সন্তানকে নিয়ে আপনার টেনশনের শেষ নেই। অনেক বুঝিয়েছেন, মানষিক ডাক্তার দিয়ে কাউন্সিলিং করিয়েছেন, ঔষধ সেবন করিয়েছেন কিন্তু পরিবর্তন হচ্ছে না। আমরা সবাই কম বেশী এর ভুক্তভোগী। মনোচিকিৎসকগণ সোস ‍ ্যাল মিডিয়া আসক্তদের অনেক ক্ষতিকর দিক বের করেছন, তার মধ ‍ ্যে ২১ টি অন ‍ ্যতম। জীবন ধ্বংসের কথাও বলেছেন। এর চিকিৎসা কি? উত্তর: কাউন্সিলিং করা কিছু ঔষধ সেবন করা। আউটপুট কি? উত্তর : যা তাই। আমরা সন্তানকে কিভাবে দেখতে চাই? উত্তর : সন্তান হবে ক্লাসে প্রথম ও জীবনে প্রথম। সফল মানুষের মত মানুষ। দেখতে সুন্দর। স্মার্ট। আধুনিক। সভ ‍ ্য। ভদ্র। সৃজনশীল। ইতিবাচক। আধুনিক প্রযুক্তি এক্সপার্ট। বিনয়ী। নামাজী। হাসিখুশি। গঠনমূলক। স্বাস্থ্য সচেতন। সঠিক সময়ে সঠিক খাবার খেতে আগ্রহী। সত ‍ ্যবাদি। পড়াশোনায় মনযোগী ইত্যাদি। কিন্তু হচ্ছে না কেন? উত্তর : সবচেয়ে বড় সমস ‍ ্যা মোবাইলের অপরিকল্পিত ব ‍ ্যবহার যাকে বলে মোবাইল আসক্তি। যা মাদকের চেয়েও ভয়াবহ। মোবাইলের ব ‍ ্যবহার পরিকল্পিত ভাবে করাতে, সন্তানের জীবন স্বাভাবিক ও ইতিবাচক করার প্রয়াসে এবং সন্তানের সাথে বাবা/মায়ের স্নেহের বন্ধন অটুট রাখার লক্ষ ‍ ্যে এক অভি...

ফেসবুকের ক্ষতিকর দিকগুলো:

  ফেসবুকের ক্ষতিকর দিকগুলো: ফেসবুকের আবার ক্ষতি কি? এটি তো নিতান্তই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম। উপরন্তু ইদানীং এটিকে অনেকের ব্যবসা আর জীবিকার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করছেন। কত্ত পুরোনো বন্ধুদের খুঁজে পাওয়া যায় এই ফেসবুকে—যুক্ত থাকা যায় পৃথিবীর সব প্রান্তের সঙ্গে। জানা যায় অনেক কিছু, এমনকি সংবাদপত্র আর টেলিভিশনের চেয়েও দ্রুততর সময়ে হালনাগাদ তথ্যটি পাওয়া যায় ফেসবুকে। সবই তো ভালো। কথা সত্য। ফেসবুক সত্যিই ভালো। কিন্তু ‘ভালো’ভাবে এর ব্যবহার করতে না পরলে সমুদয় ক্ষতি। যেমন বিদ্যুতের কথাই ধরা যাক—বিদ্যুৎ কত উপকারী; বাতি জ্বলে, পাখা ঘোরে—বড় বড় কারখানা চলে বিদ্যুতে। কিন্তু একে ভালোবেসে বিদ্যুতের তার শরীরে জড়িয়ে রাখলে সমূহ বিপদ! তেমনি ফেসবুকের পরিমিত আর যৌক্তিক ব্যবহার করতে না পারলে ক্ষতি অনিবার্য। ফেসবুকের প্রধান ২১টি ক্ষতি হচ্ছে: ১. সময় নষ্ট : ফেসবুক ব্যবহারের দিক থেকে ঢাকা শহর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী। বাংলাদেশে প্রায় তিন কোটির কাছাকাছি ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছেন। ২০১৭ সালে তরুণদের ওপর পরিচালিত এক জরিপ অনুযায়ী শুধু চ্যাটিংয়ের জন্য গড়ে প্রতিদিন ৮০ মিনিট করে ব্যয় করেন বাংলাদেশের তরুণেরা।...

মোবাইল ফোনে আসক্তি? মুক্তির উপায়ও আছে!

  মোবাইল ফোনে আসক্তি? মুক্তির উপায়ও আছে! কেউ একজন কি করছে সেই আপডেট না রাখলে কি আপনার কোনো ক্ষতি হচ্ছে? ফেসবুকে না থাকলে কারো জন্মদিন ভুলে যাবেন বলে চিন্তা করছেন? স্মার্টফোন যে আমাদের জীবনের অত্যাবশ্যক অংশ হয়ে উঠেছে তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখেনা। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাপস, লাইভ স্ট্রিমিং, গেমসসহ আরও অসংখ্য সুযোগ সুবিধা দেয়ার পাশাপাশি স্মার্টফোনের এই চক্কর আপনার জন্য একটা কঠিন গোলকধাঁধাও হয়ে উঠতে পারে। শুধুমাত্র পর্যাপ্ত গবেষণামূলক ডেটা না থাকায় মোবাইল ফোনে আসক্তিকে এখন পর্যন্ত 'রোগ' হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়া হচ্ছে না। ফোন ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকায় আচরণগত, মানসিক ও চিন্তাধারার নানাবিধ সমস্যার কথা এরই মধ্যে অনেক বিশেষজ্ঞই বলেছেন। ব্যক্তিগত সম্পর্কে ক্ষতির কারণ, ফোন হাতে না পেলে আতঙ্কিত আব শঙ্কিত হয়ে যাওয়া কিংবা দুশ্চিন্তা করা এবং কোনোকিছু গভীরভাবে চিন্তা করার বা সৃজনশীলতায় বাঁধা দেয়ার মত সমস্যার মূলেও মোবাইল ফোন ব্যবহারের ভূমিকা আছে। আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল এসোসিয়েশন এর প্র্যাকটিস ট্রান্সফরমেশন অ্যান্ড কোয়ালিটি শাখার পরিচালক লিন বুফকা বলেন, সম্ভাব্য...