মোবাইল আসক্ত সন্তানকে নিয়ে আপনার টেনশনের শেষ নেই। অনেক বুঝিয়েছেন, মানষিক ডাক্তার দিয়ে কাউন্সিলিং করিয়েছেন, ঔষধ সেবন করিয়েছেন কিন্তু পরিবর্তন হচ্ছে না। আমরা সবাই কম বেশী এর ভুক্তভোগী। মনোচিকিৎসকগণ সোস্যাল মিডিয়া আসক্তদের অনেক ক্ষতিকর দিক বের করেছন, তার মধ্যে ২১ টি অন্যতম। জীবন ধ্বংসের কথাও বলেছেন।
এর চিকিৎসা কি? উত্তর: কাউন্সিলিং করা কিছু ঔষধ সেবন করা। আউটপুট কি? উত্তর : যা তাই।
আমরা সন্তানকে কিভাবে দেখতে চাই? উত্তর : সন্তান হবে ক্লাসে প্রথম ও জীবনে প্রথম। সফল মানুষের মত মানুষ। দেখতে সুন্দর। স্মার্ট। আধুনিক। সভ্য। ভদ্র। সৃজনশীল। ইতিবাচক। আধুনিক প্রযুক্তি এক্সপার্ট। বিনয়ী। নামাজী। হাসিখুশি। গঠনমূলক। স্বাস্থ্য সচেতন। সঠিক সময়ে সঠিক খাবার খেতে আগ্রহী। সত্যবাদি। পড়াশোনায় মনযোগী ইত্যাদি।
কিন্তু হচ্ছে না কেন? উত্তর : সবচেয়ে বড় সমস্যা মোবাইলের অপরিকল্পিত ব্যবহার যাকে বলে মোবাইল আসক্তি। যা মাদকের চেয়েও ভয়াবহ।
মোবাইলের ব্যবহার পরিকল্পিত ভাবে করাতে, সন্তানের জীবন স্বাভাবিক ও ইতিবাচক করার প্রয়াসে এবং সন্তানের সাথে বাবা/মায়ের স্নেহের বন্ধন অটুট রাখার লক্ষ্যে এক অভিনব টেকনোলজিক্যাল সেবা নিয়ে কাজ করছে Safe Care Tech.
যাদের জন্য সেবাটি:
1. স্মার্ট ফোন ব্যবহাকারি সকল শিশু-কিশোরদের জন্য।
2. অমনযোগী সকল সন্তানের জন্য।
3. মোবাইলে আসক্ত সকলের জন্য।
4. খাবার খেতে অনিহা কিশোর/কিশোরীদের জন্য।
5. বাবা অথবা মা সন্তান হতে দূরে অবস্থান করা পরিবারের জন্য।
6. প্রবাসী ভাইদের প্রিয়জনের জন্য।
7. অন্যান্য
আপনার পরিবার হউক আনন্দময়। এই প্রত্যাশায়.........
যোগাযোগ : @Safecaretech 01776063613

Comments
Post a Comment