Skip to main content

ফেসবুকের ক্ষতিকর প্রভাবে আজ ৭৫ শতাংশ মানুষ পাগল হয়ে গেল।

 


ফেসবুকের ক্ষতিকর প্রভাবে আজ ৭৫ শতাংশ মানুষ পাগল হয়ে গেল।
ফেসবুকের ক্ষতিকর প্রভাব, ফেসবুকের ক্ষতিকর দিক, ফেসবুকের অপকারিতা, ফেসবুক এর কুফল, ফেসবুকের নেতিবাচক দিক, ফেসবুক ও যুবসমাজ, ফেসবুকের সুবিধা ও অসুবিধা, ফেসবুকের ক্ষতিকর দিক, ফেসবুক ব্যবহারের কুফল, ফেসবুক ব্যবহারের উপকারিতা, এই সবগুলো পয়েন্ট গুগুলের সার্চে শীর্ষে। আসুন দেখি ফেসবুকের ক্ষতিকর প্রভাব কি কি –
ফেইসবুকের কারনে ৭৫ শতাংশ মানুষ এখন মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ:
সারাদিন আপনার চোখের সামনে মোবাইল। ঐ নিল আইকনটাতে সারাদিন ঢুকে বসে আছেন।
ফেইসবুক আবিষ্কারক মার্ক জুকারবার্গ প্রেমিকার সাথে যোগাযোগের কারনে ফেইবুক বানালেও ফেঁসে গেছেন আপনি।
নানান ধরনের মজার তথ্য,ছবি,ভিডিও,স্ট্যাটাস দিয়ে আপনার নিউজ ফিড ভরা। সারাদিন স্ক্রল করতে করতে আপনার জীবন পার।
কিন্তু এই ভার্চুয়াল জগতের কারনে কত একচুয়াল বিষয়গুলো হারিয়ে ফেলছেন জানেন কি!
মনে পড়ে প্রাইমারী বা হাই স্কুলের কথা!মাগরিবের আযান এর সাথে সাথে মায়েরা জোড় করে পড়তে বসাতো। কত জোরে জোরে পড়ে প্রায় তিন চার ঘন্টায় সাত আটটা সাবজেক্ট কভার করতেন। এখন পারবেন! পারবেন না। কারণ আপনার মতিস্কের সেল গুলো মরে গেছে। তবে ভয় নেয়, শুরু করুন নতুন ভাবে।
সারাদিন কয় ওয়াক্ত নামায পড়ছেন। শয়তানতো কুমন্ত্রনা দেওয়ার জন্য রেডিই থাকত। কিন্তু এখন ফেইসবুক আসার পর থেকে শয়তান মনে হয় একটু আরাম করতে পারে।
সারাদিন এই ভার্চুয়াল লাইফস্টাইল দেখে কোথাও না কোথাও আমরা নিজেদেরকে সেখানে চিন্তা করে ফেলি।
তখন সেটা না পেলে আমরা অপরাধে জড়াই। একটা ফেইক মিথ্যা দুনিয়াকে আপন করে নেই।
কিন্তু ভাবি না যে চক চক করলেই সোনা হয় না।
বাবা মায়ের সাথে সোনালী মুহূর্ত গুলো হারিয়ে ফেলেছেন। আগে একসাথে বসে টিভিতে সিনেমা দেখতেন। এখন সবার হাতেই একটা ফোন।
নীল জগতে বন্ধু আছে হাজার হাজার কিন্তু বাস্তব জীবনে একজনও বিপদে এগিয়ে আসে না।
যার ফলে আপনি বা আপনার পাশের মানুষটি খুব সহজে ডিপ্রেশনে চলে যাচ্ছেন আর ফল হচ্ছে আত্মহত্যা।
তাই এই নীল আইকন টি থেকে বেরিয়ে আসুন। আপনর মৃত্যু কে মনে করুন।
যে সময় গুলো পার করছেন তার জন্য আপনাকে হিসাব দিতে হবে। কি বলবেন তখন!
আপনার সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করুন। যিনি আপনাকে বাচিয়ে রেখেছেন তার অশেষ নেয়ামতে। আপনার প্রতিদিনের কাজ গুলো শেষ করুন৷ বাবা মা কে সময় দিন। এক ঘন্টা রাস্তায় একাই হেঁটে আসুন। জানতে চান নিজের কাছে কি করতে চাইছেন, কি দরকার আপনার, কতটুকু আজ করতে পারলেন।

Comments

Popular posts from this blog

মোবাইল আসক্ত সন্তানকে নিয়ে আপনার টেনশনের শেষ নেই।

  মোবাইল আসক্ত সন্তানকে নিয়ে আপনার টেনশনের শেষ নেই। অনেক বুঝিয়েছেন, মানষিক ডাক্তার দিয়ে কাউন্সিলিং করিয়েছেন, ঔষধ সেবন করিয়েছেন কিন্তু পরিবর্তন হচ্ছে না। আমরা সবাই কম বেশী এর ভুক্তভোগী। মনোচিকিৎসকগণ সোস ‍ ্যাল মিডিয়া আসক্তদের অনেক ক্ষতিকর দিক বের করেছন, তার মধ ‍ ্যে ২১ টি অন ‍ ্যতম। জীবন ধ্বংসের কথাও বলেছেন। এর চিকিৎসা কি? উত্তর: কাউন্সিলিং করা কিছু ঔষধ সেবন করা। আউটপুট কি? উত্তর : যা তাই। আমরা সন্তানকে কিভাবে দেখতে চাই? উত্তর : সন্তান হবে ক্লাসে প্রথম ও জীবনে প্রথম। সফল মানুষের মত মানুষ। দেখতে সুন্দর। স্মার্ট। আধুনিক। সভ ‍ ্য। ভদ্র। সৃজনশীল। ইতিবাচক। আধুনিক প্রযুক্তি এক্সপার্ট। বিনয়ী। নামাজী। হাসিখুশি। গঠনমূলক। স্বাস্থ্য সচেতন। সঠিক সময়ে সঠিক খাবার খেতে আগ্রহী। সত ‍ ্যবাদি। পড়াশোনায় মনযোগী ইত্যাদি। কিন্তু হচ্ছে না কেন? উত্তর : সবচেয়ে বড় সমস ‍ ্যা মোবাইলের অপরিকল্পিত ব ‍ ্যবহার যাকে বলে মোবাইল আসক্তি। যা মাদকের চেয়েও ভয়াবহ। মোবাইলের ব ‍ ্যবহার পরিকল্পিত ভাবে করাতে, সন্তানের জীবন স্বাভাবিক ও ইতিবাচক করার প্রয়াসে এবং সন্তানের সাথে বাবা/মায়ের স্নেহের বন্ধন অটুট রাখার লক্ষ ‍ ্যে এক অভি...

ফেসবুকের ক্ষতিকর দিকগুলো:

  ফেসবুকের ক্ষতিকর দিকগুলো: ফেসবুকের আবার ক্ষতি কি? এটি তো নিতান্তই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম। উপরন্তু ইদানীং এটিকে অনেকের ব্যবসা আর জীবিকার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করছেন। কত্ত পুরোনো বন্ধুদের খুঁজে পাওয়া যায় এই ফেসবুকে—যুক্ত থাকা যায় পৃথিবীর সব প্রান্তের সঙ্গে। জানা যায় অনেক কিছু, এমনকি সংবাদপত্র আর টেলিভিশনের চেয়েও দ্রুততর সময়ে হালনাগাদ তথ্যটি পাওয়া যায় ফেসবুকে। সবই তো ভালো। কথা সত্য। ফেসবুক সত্যিই ভালো। কিন্তু ‘ভালো’ভাবে এর ব্যবহার করতে না পরলে সমুদয় ক্ষতি। যেমন বিদ্যুতের কথাই ধরা যাক—বিদ্যুৎ কত উপকারী; বাতি জ্বলে, পাখা ঘোরে—বড় বড় কারখানা চলে বিদ্যুতে। কিন্তু একে ভালোবেসে বিদ্যুতের তার শরীরে জড়িয়ে রাখলে সমূহ বিপদ! তেমনি ফেসবুকের পরিমিত আর যৌক্তিক ব্যবহার করতে না পারলে ক্ষতি অনিবার্য। ফেসবুকের প্রধান ২১টি ক্ষতি হচ্ছে: ১. সময় নষ্ট : ফেসবুক ব্যবহারের দিক থেকে ঢাকা শহর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী। বাংলাদেশে প্রায় তিন কোটির কাছাকাছি ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছেন। ২০১৭ সালে তরুণদের ওপর পরিচালিত এক জরিপ অনুযায়ী শুধু চ্যাটিংয়ের জন্য গড়ে প্রতিদিন ৮০ মিনিট করে ব্যয় করেন বাংলাদেশের তরুণেরা।...

মোবাইল ফোনে আসক্তি? মুক্তির উপায়ও আছে!

  মোবাইল ফোনে আসক্তি? মুক্তির উপায়ও আছে! কেউ একজন কি করছে সেই আপডেট না রাখলে কি আপনার কোনো ক্ষতি হচ্ছে? ফেসবুকে না থাকলে কারো জন্মদিন ভুলে যাবেন বলে চিন্তা করছেন? স্মার্টফোন যে আমাদের জীবনের অত্যাবশ্যক অংশ হয়ে উঠেছে তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখেনা। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাপস, লাইভ স্ট্রিমিং, গেমসসহ আরও অসংখ্য সুযোগ সুবিধা দেয়ার পাশাপাশি স্মার্টফোনের এই চক্কর আপনার জন্য একটা কঠিন গোলকধাঁধাও হয়ে উঠতে পারে। শুধুমাত্র পর্যাপ্ত গবেষণামূলক ডেটা না থাকায় মোবাইল ফোনে আসক্তিকে এখন পর্যন্ত 'রোগ' হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়া হচ্ছে না। ফোন ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকায় আচরণগত, মানসিক ও চিন্তাধারার নানাবিধ সমস্যার কথা এরই মধ্যে অনেক বিশেষজ্ঞই বলেছেন। ব্যক্তিগত সম্পর্কে ক্ষতির কারণ, ফোন হাতে না পেলে আতঙ্কিত আব শঙ্কিত হয়ে যাওয়া কিংবা দুশ্চিন্তা করা এবং কোনোকিছু গভীরভাবে চিন্তা করার বা সৃজনশীলতায় বাঁধা দেয়ার মত সমস্যার মূলেও মোবাইল ফোন ব্যবহারের ভূমিকা আছে। আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল এসোসিয়েশন এর প্র্যাকটিস ট্রান্সফরমেশন অ্যান্ড কোয়ালিটি শাখার পরিচালক লিন বুফকা বলেন, সম্ভাব্য...